HomeLaw News

মানবাধিকার কমিশনের প্রধান হলেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি মইনুল হোসেনকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তিনি গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের প্রধান ছিলেন। এছাড়াও গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন ও ড. নাবিলা ইদ্রিসকেও কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মানবাধিকার কমিশনের ৫ জন কমিশনারের মাঝে অপর ২ কমিশনার হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম ও মানবাধিকার কর্মী ইলিরা দেওয়ান।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,  সংশোধিত ‘মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫’ এর ধারা ৬ এর উপধারা ১ মতে রাষ্ট্রপতি বাছাই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এ নিয়োগ প্রদান করেছেন। এই প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার‌্যকর হবে বলে জানানো হয়।

কমিশনের আইন অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ ৩ বছর পদে স্বপদে আসীন থাকবেন।

গত ১২ জানুয়ারি আপীল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে প্রধান করে ৬ সদস্যের বাছাই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শামনাজ হুদা; বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাসিব চৌধুরী; জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনোনীত বা তার প্রতিনিধি হিসেবে মানবাধিকার বিষয়ে প্রতিবেদন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন সাংবাদিক এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কুবলেশ্বর ত্রিপুরা। কমিটিকে বাছাইয়ে সহায়তা করে আইন বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ ও অন্য কমিশনাররা ৭ নভেম্বর ২০২৪ পদত্যাগ করেন। এরপর আর কমিশন পুনর্গঠন করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে প্রায় দেড় বছর পর কমিশন পুনর্গঠন করা হলো।

 

আরও পড়ুন- মানবাধিকার কাকে বলে?

 

You cannot copy content of this page