সুপ্রিম কোর্টে ১৯ জন সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত
আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদার সর্বোচ্চ স্তর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ‘সিনিয়র অ্যাডভোকেট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন ১৯ জন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে এনরোলমেন্ট কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (১২ নভেম্বর, ২০২৫) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
আইন পেশায় বিশেষ জ্ঞান, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত যোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবে এই ১৯ জন আইনজীবীকে এই সম্মানজনক উপাধি প্রদান করা হলো। এই তালিকাভুক্তির মাধ্যমে তাঁরা দেশের শীর্ষ আইনজীবীদের কাতারে শামিল হলেন।
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১১ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে এনরোলমেন্ট কমিটির সভায় সদস্যদের স্বতন্ত্র মতামতের ভিত্তিতে এই ১৯ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তালিকাভুক্ত সিনিয়র অ্যাডভোকেটবৃন্দ:
নতুন তালিকাভুক্ত হওয়া সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের মধ্যে দেশের আলোচিত ও বিশিষ্ট আইনজীবীরা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
১. ড. শাহদীন মালিক
২. ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
৩. অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির
৪. ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম
৫. অ্যাডভোকেট আমিনুল হক
৬. অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. কাইয়ুম খান
৭. ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন
৮. অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার
৯. অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন
১০. অ্যাডভোকেট মো. রফিকুর ইসলাম
১১. অ্যাডভোকেট অরিবিন্দ কুমার রায়
১২. অ্যাডভোকেট শাহীন আহমেদ
১৩. অ্যাডভোকেট মো. সাদউল্লাহ
১৪. ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম
১৫. ফাতেমা শাহেদ চৌধুরী
১৬. ব্যারিস্টার এম. সাকিবুজ্জামান
১৭. মো. জামিল আক্তার এলাহী
১৮. ব্যারিস্টার মো. আব্দুল কাইয়ুম
১৯. অ্যাডভোকেট মো. শাখাওয়াত হোসেন
একইসঙ্গে, ৪৯ জন আইনজীবীকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে ‘স্ট্যান্ডওভার’ (স্থগিত) রাখা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, একই সভায় ১৫৩ জন আইনজীবীকে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং ১৫০ জন আইনজীবীকে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডওভার রাখা হয়।
আরও পড়ুন- সিনিয়র এডভোকেট কি?
